সোমবার   ২৪ জুন ২০২৪   আষাঢ় ৯ ১৪৩১  

আজ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে উঠবেন ফুলপরী

নিউজ ডেস্ক

কুষ্টিয়ার বার্তা

প্রকাশিত : ০৩:৪৩ পিএম, ১২ মার্চ ২০২৩ রোববার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নির্যাতনের শিকার ফুলপরী খাতুন আজ ক্যাম্পাসে আসছেন। রোববার (১২ মার্চ) ইবির বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে উঠতে ক্যাম্পাসে আসছেন তিনি।

ফুলপরীর বাবা আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমার মেয়ে এই এক মাস ক্লাস করতে পারেনি। ও অন্যদের থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে। এজন্য আজই ক্যাম্পাসে নতুন হলে উঠবে, একইসঙ্গে ক্লাস শুরু করবে।

তবে এসময় তিনি মেয়ের নিরাপত্তা নিয়েও কিছুটা শঙ্কা প্রকাশ করেন। আতাউর রহমান বলেন, যদিও প্রশাসন নিরাপত্তা দিচ্ছে কিন্তু তারপরও একটু ভয় থেকেই যায়।

এদিকে, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রাসিদুজ্জামান বলেন, আমি ওর হলে ওঠার বিষয়টি শুনেছি। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলেছি। আগেই ওর পছন্দ অনুসারে সিট দেওয়া হয়েছে। আশা করি, এখানে ওর কোনো সমস্যা হবে না।

এর আগে গত ৪ মার্চ হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ফুলপরী খাতুনকে তার পছন্দের হলে কক্ষ বরাদ্দ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ফুলপরীর ক্লাস শুরুর বিষয়ে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সভাপতি ড. বখতিয়ার হাসান বলেন, আমরা এরইমধ্যে একটি মিটিংয়ে তার বিষয়ে আলোচনা করেছি। শ্রেণীকক্ষে বা বিভাগে তার যেন কোনো সমস্যা না হয় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তাছাড়া তার পড়াশোনার বিষয়েও খেয়াল রাখবো আমরা।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে গত ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দুই দফায় ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের এক ছাত্রীকে রাতভর নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সানজিদা চৌধুরী অন্তরা, ফিন্যান্স বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের তাবাসসুমসহ আরও সাত-আটজন জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ছাত্রী।

পরে এ ঘটনায় ইবির পাঁচ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী সানজিদা চৌধুরী ওরফে অন্তরা, চারুকলা বিভাগের হালিমা আক্তার ঊর্মি, আইন বিভাগের ইসরাত জাহান মিম, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের তাবাসসুম ইসলাম ও একই বিভাগের মুয়াবিয়া জাহান।

এর মধ্যে সানজিদা চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। অন্যরা ছাত্রলীগের কর্মী। এছাড়া নির্যাতনের ঘটনায় ওই পাঁচজনকেই সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।