শনিবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ১৮ ১৪২৯   ০৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
সর্বশেষ:
বিজয়ের মাসকে ‘মুক্তিযোদ্ধা মাস’ ঘোষণার দাবি দেশে করোনার টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাঁচ বছরের মধ্যে সারাদেশে বিদ্যুতের তার মাটির নিচে যাবে সারা দেশে পুলিশের পক্ষকালব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু কুষ্টিয়ায় খেজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি ঢাকায় অগ্নিসন্ত্রাসীদের বিশৃঙ্খলার লাইসেন্স দেয়া হবে না পদ্মা সেতুর সুফল পেতে শিল্পকারখানার প্রত্যাশা
১৩৩০

ঈগল বাড়িয়ে দিল বিজ্ঞানীর ফোন বিল!

নিউজ ডেস্ক:

প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০১৯  

ঈগল পাখি নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে রাশিয়ার একজন বিজ্ঞানীর রীতিমতো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খালি হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তবে শেষমেষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে রক্ষা পেয়েছেন তিনি। 

‘ওয়াইল্ড অ্যানিমল রিহ্যাবিলেটশন সেন্টার' নামের স্বেচ্ছাসেবক সংস্থার ওই বিজ্ঞানী মোট ১৩টি ঈগল পাখির পায়ে গতিপথ দেখার জন্য 'ট্র্যাকিং ডিভাইস' বসিয়েছিলেন। তিনি রাশিয়া ও কাজাখস্থান থেকে ঈগলগুলোর গতিপথের ওপর নজর রাখা শুরু করেন।  যে ডিভাইস তার মোবাইল ফোনে টেক্সট মেসেজ পাঠায়। 

তবে সমস্যা হয়েছিল, 'স্টেপ' প্রজাতির ওই পরিযায়ী ঈগলগুলোর মধ্যে একটি নারী ঈগল শুধু রাশিয়া ও কাজাখস্থানের সীমান্ত পর্যন্ত উড়েই ক্ষান্ত হয়নি, সে সুদূর আফগানিস্তান ও ইরান পর্যন্ত ভ্রমণ করেছে। বাকি সবগুলোর বিলসহ তাতেই বিপদে পড়েন ওই বিজ্ঞানী।

এটা সবারই জানা যে, দেশের ভেতরে ফোন বিল একরকম। কিন্তু দেশের বাইরে রোমিং চার্জ আরোপ করে মোবাইল ফোন কোম্পানি। কাজাখস্থানে এসএমএস খরচ হিসেবে দিতে হয় ২ থেকে ১৫ রুবল পর্যন্ত। কিন্তু ইরান থেকে রোমিং চার্জসহ সেটি গিয়ে দাড়ায় ৪৯ রুবল।

পরে উপায়ন্ত না পেয়ে ওই বিজ্ঞানী ও তার সঙ্গীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অর্থ সহায়তা চেয়ে আবেদন করেন। সেখান থেকে এক লাখ রুবল পর্যন্ত অর্থ পেয়েছেন। এই ক্যাম্পেইনের নাম ছিলো 'টপ আপ দ্যা ঈগল মোবাইল'।

অর্থ সহায়তা চেয়ে পোস্টের পরই তাদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে ফোন কোম্পানি 'মেগাফোন'। তারা প্রথমত যে বিল তৈরি হয়েছে তা মওকুফ করার ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া বিজ্ঞানীদের প্রকল্পের ভবিষ্যৎ বিল কম খরচে দেয়ার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে।

স্টেপ প্রজাতির ঈগল পাখি মূলত রাশিয়া ও মধ্য এশিয়াতে পাওয়া যায়। তবে বিদ্যুতের তারের কারণে তারা ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে। এই ঈগল সাইবেরিয়া ও কাজাখস্থানে বংশ বিস্তার করে এবং শীতের মৌসুমে দক্ষিণ এশিয়ার দিকে উড়ে আসে। সূত্র- বিবিসি

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর