বুধবার   ৩০ নভেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ১৫ ১৪২৯   ০৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
সর্বশেষ:
উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তিতে আসন সংকট হবে না : শিক্ষামন্ত্রী জামানত নয়, কৃষিঋণে কৃষকের এনআইডি যথেষ্ট: কৃষিসচিব নিজের বাল্যবিবাহ ঠেকানো চুয়াডাঙ্গার শ্রাবন্তী জিপিএ-৫ পেয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কুষ্টিয়ার এক উপজেলাতেই ২৮টি অবৈধ ইটভাটা!
৮৬

গায়ের গন্ধই বলে দেবে শরীরে ডায়াবেটিস আছে কিনা!

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২  

ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ, যা নিঃশব্দে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে। নিয়ম মেনে খাবার, ওষুধ খেলে, শরীরচর্চা করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে বটে। কিন্তু তা কোনো ভাবেই পুরোপুরি নিরাময় হয় না। 

প্রাথমিক ভাবে পিপাসা বেড়ে যাওয়া, ঘনঘন প্রস্রাবের বেগ, বার বার খিদে পাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও ক্লান্ত বোধ করা, ওজন কমে যাওয়া, ত্বকে কালচে ভাব, ক্ষত না শুকোনোর মতো লক্ষণগুলোকে ডায়াবেটিসের কারণ বলে ধরা যেতে পারে। এ ছাড়াও গায়ের গন্ধ কিন্তু বলে দিতে পারে আপনার পাশে বসা ব্যক্তিটি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত কিনা। কারণ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে কিটোন অ্যাসিডের প্রাধান্য বেশি থাকে।

এখন প্রশ্ন হলো ‘কিটোন অ্যাসিড’ কী? শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন না থাকায় রক্তে থাকা শর্করা, শক্তি উৎপাদন করতে পারে না। শক্তি উৎপাদনের জন্য যকৃৎ ক্রমাগত স্নেহ জাতীয় পদার্থ ভাঙতে চেষ্টা করে। ফলস্বরূপ কিটোন নামক অ্যাসিড তৈরি হয়। রক্ত এবং প্রস্রাবেও বিপজ্জনক হারে বাড়তে থাকে এই অ্যাসিডের মাত্রা। রক্তে পিএইচের ভারসাম্যও বিঘ্নিত হয়।

শরীরে কিটোন অ্যাসিড অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে, তা সাধারণত শ্বাস-প্রশ্বাস, ঘাম এবং প্রসাবের গন্ধের মাধ্যমে জানান দেয়। কখনো ফলের, ঝাঁঝাল অ্যামোনিয়া বা মলের গন্ধ পাওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

সাধারণত টাইপ ১ ডায়াবিটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘ দিন গুরুতর অসুস্থ থাকলে, অস্ত্রোপচার হলে বা নিয়মিত ইনসুলিন না নিলে কিটোঅ্যাসিডোসিস হতে পারে।

টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের কিটোঅ্যাসিডোসিস হয় না বললেই চলে। তবে, দীর্ঘ দিন ধরে রক্তে অনিয়ন্ত্রিত শর্করার মাত্রা কিটোঅ্যাসিডোসিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

কিন্তু যাদের ডায়াবিটিস নেই, তাদেরও কিটোঅ্যাসিডোসিস হতে পারে। দীর্ঘ ক্ষণ না খেয়ে থাকলে শরীরে গ্লুকোজের অভাব দেখা দেয়। শক্তি উৎপাদনের জন্য শরীর বাধ্য হয়ে কিটোজেনেসিস প্রক্রিয়া শুরু করে।

একটি গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, খাবারের তালিকায় সুষম এবং পরিমিত কার্বহাইড্রেড সমৃদ্ধ খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখে। কিটোঅ্যাসিডোসিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমায়।

সূত্র: আনন্দবাজার 

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর