শনিবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ১৮ ১৪২৯   ০৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
সর্বশেষ:
বিজয়ের মাসকে ‘মুক্তিযোদ্ধা মাস’ ঘোষণার দাবি দেশে করোনার টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাঁচ বছরের মধ্যে সারাদেশে বিদ্যুতের তার মাটির নিচে যাবে সারা দেশে পুলিশের পক্ষকালব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু কুষ্টিয়ায় খেজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি ঢাকায় অগ্নিসন্ত্রাসীদের বিশৃঙ্খলার লাইসেন্স দেয়া হবে না পদ্মা সেতুর সুফল পেতে শিল্পকারখানার প্রত্যাশা
১১০৮

কুকুর কামড়ালে করণীয়

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ মার্চ ২০১৯  

কেউ কুকুর ভালোবেসে বাড়িতেই পোষেন, কেউবা কুকুর থেকে একশ’ হাত দূরে থাকেন। 

কুকুরের প্রতি ভালোবাসা কিংবা ভয়, যেটিই থাক না কেন, এর কামড় কিন্তু ভয়েরই কারণ। তাই কুকুরের কামড়ের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে ও কামড়ানোর পরেও বিষ নষ্ট করতে কিছু পদক্ষেপ নিতেই হয়।

জলাতঙ্ক রোগের ভয় ছাড়াও এই কামড়ে যে প্রদাহ তৈরি হয়, তাতে অন্য সংক্রমণও খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে। তাই বাড়তি সতর্কতা নিতেই হয়। এছাড়া কুকুরের কামড় খুব যন্ত্রণাদায়কও।

সময় মতো চিকিৎসা না হলে কিন্তু জলাতঙ্ক যেমন প্রাণ কেড়ে নিতে পারে, তেমনই প্রদাহের জায়গায় সংক্রমণ ছড়িয়ে সমস্যাকে আরো জটিল করে তুলতে পারে। কুকুরে কামড়ালে কেবল র্যাবিস ভাইরাসের ইঞ্জেকশন নিলেই কিন্তু দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। রয়েছে আরো কিছু করণীয়-

কুকুরে কামড়ালে প্রথমেই ক্ষতস্থান চেপে ধরুন। রক্ত যত তাড়াতাড়ি বন্ধ করা যাবে, ততই ভালো। তবে রক্ত বন্ধ করতে কোনোরকম কেমিক্যাল যোগ করবেন না প্রথমে।

ক্ষতস্থান পরিষ্কার করতে কোনোরকম সুগন্ধি সাবান ব্যবহার চলবে না। পারলে পরিষ্কার কোনো কাপড় দিয়ে ক্ষতস্থান পরিষ্কার করুন, একান্তই তা হাতের কাছে না থাকলে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক লোশন দিয়ে পরিষ্কার করুন। এই সময় ক্ষতস্থান বেশি ঘষবেন না। যতটুকু না করলে বিষ যায় না। ততটুকুই ঘষুন।

এবার অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল কোনো লোশন বা অ্যান্টিবায়োটিক অয়েনমেন্ট লাগিয়ে পরিষ্কার গজ কাপড় দিয়ে বেঁধে দিন জায়গাটা।

এরপরই শুরু আসল চিকিৎসা। কোনোভাবেই দেরি করা যাবে না। দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতাল বা চিকিৎসকের কাছে যান। র্যাবিস ভাইরাসের হানা ঠেকাতে দরকারি ইঞ্জেকশনের পাশাপাশি টিটেনাস ইঞ্জেকশনও নিতে হতে পারে। কুকুরে কামড়ানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই দুটি ইঞ্জেকশনই নিয়ে ফেলতে হবে। র্যাবিসের একটি নির্দিষ্ট কোর্স আছে। তার প্রথমটি যেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নেয়া হয়ে যায়। এবার কোর্স অনুযায়ী নিয়ম মেনে নিতে হবে ইঞ্জেকশন।

প্রয়োজনীয় ওষুধ ও পথ্যের পাশাপাশি অবশ্যই প্রতি দিন কামড়ের ক্ষতস্থান পরিষ্কার করতে হবে। ধুলোবালি লাগানো যাবে না ওখানে। যতদিন না প্রদাহ শুকিয়ে আসে, ততদিন এই নিয়ম মেনে চলতে হবে।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর