মঙ্গলবার   ১৭ মে ২০২২   জ্যৈষ্ঠ ২ ১৪২৯   ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
সর্বশেষ:
চুয়াডাঙ্গায় ভুয়া ডাক্তারকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে ২ লাখ ৭৯ হাজার টন এবার হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পেল ৭৮০ এজেন্সি আগামী দুই বছরের মধ্যে পৃথিবী হবে ডাটানির্ভর ডিজিটালের পরবর্তী পদক্ষেপ স্মার্ট বাংলাদেশ
২৬৪২

অন্যান্য ব্যবসার মত মেহেরপুরে জমজমাট হয়ে উঠেছে পাখি ব্যবসাও

নিউজ ডেস্ক:

প্রকাশিত: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

অন্যান্য ব্যবসার মতো পাখি ব্যবসাও খুব জমজমাট হয়ে উঠেছে মেহেরপুরে।

পাখি সাধারণত দুই রকমের হয়। বনের পাখি ও খাঁচার পাখি। পাখি পোষার ইতিহাস বহু প্রাচীন। মিশরের ফারাও থেকে শুরু করে রাজা, মহারাজারাও বিভিন্ন ধরনের পাখি পুষতেন। কখনো শখে আবার কখনো চিঠি আদান-প্রদানের জন্য। 

দিন দিন বেড়ে চলেছে শখের বশে পাখি পোষা, শখের বশে এখন অনেকেই বাসায় পুষছেন বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। এমনই নানা প্রজাতির পাখি বিক্রি করে ব্যস্ত সময় পার করে মেহেরপুর মল্লিক পাড়ার পাখি ব্যবসায়ী আসিফ খান। প্রতিদিনই বিক্রি হয় নানা প্রজাতির পাখি, তার দোকানে আছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি তার ভিতরে উল্লেখযোগ্য বাজরিগার, ককাটেল, জাভা, ফিঞ্চ ও লাভ বার্ড।

আসিফ খান জানান, কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলেই খুব সহজেই এ সব পাখি বাড়িতে পোষা যায়। পোষা পাখির বিষয়ে কিছু ধারনা দেন তিনি।

বাজরিগার পাখি-
আমাদের দেশে এই পাখিটির আবাসস্থল না হলেও অনেকে শখের বসে বাড়িতে পোষার জন্য বিভিন্ন স্থান থেকে কিনে থাকে। এই পাখিটি বেশ দামি। এই পাখিটি সহজেই ডিম দিতে সক্ষম। এরপর বাচ্চাও দেয় বেশ তাড়াতাড়ি। তবে ডিম পাড়া বা বাচ্চা হওয়াটা অনেকটাই পাখির যত্নের ওপর নির্ভর করে। অধিক রঙে রঙিন, সহজ খাদ্যে সন্তুষ্ট এ পাখিগুলো সহজে লালন-পালন করা যায়। এদের প্রতিটির শরীরে দুটি বা চারটি রঙের মিশ্রণ থাকে। এদের পোষার জন্য প্রয়োজন একটি খাঁচা। এ খাঁচার মধ্যে দিতে হবে ডিম পাড়ার পাত্র ও খাবারের পাত্র। এ পাখি পুষলে ও সঠিক যত্ন নিলে দু-আড়াই মাসের মধ্যে ডিম পাওয়া যাবে। তবে যত্নের বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

ককটেল ও গে ককটেল –
লালন-পালনে সহজ এমন পাখির মধ্যে আরো রয়েছে ককটেল ও লোটিনো বা গ্রে ককটেল পাখি। এগুলোও সহজে ডিম দেয়। এই পাখিগুলোও পোষার জন্য পরিমাপ মত খাঁচার দরকার হয়। এর সঙ্গে আরো অন্যান্য সরঞ্জাম। যেমন- পাখির খাবার পাত্র, পানির পাত্র, পাখি বসার ব্যবস্থা ইত্যাদি। পাখিগুলো দেখতে অনেকটা কাকাতুয়ার মতো। এদের মাথায় সুদৃশ্য ঝুটি আছে ও এদের ডাক অনেক সুন্দর। এসব পাখি সাড়ে তিন মাস থেকে চারমাসের মধ্যে ডিম দেয়। তবে যত্ন আবশ্যক।

ফিঞ্চ পাখি ও লাভবার্ড পাখি-
শখের পোষাপাখিগুলোর মধ্যে আরো রয়েছে ফিঞ্চ পাখি ও লাভবার্ড পাখি। পাখিগুলো মূলত শস্যভোজী। তাই এগুলো বিভিন্ন শস্য খেয়ে থাকে। এগুলো দেখতে অনেকটা শালিক পাখির মতো। শরীর ছিপছিপে গড়নের হওয়ায় একটু ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছা হয়।
এগুলোর দাম তাই অনেক ক্ষেত্রে রঙের ওপর নির্ভর করে। আর যেহেতু এরা শস্যদানা খেয়ে থাকে, তাই খাবারের খরচটাও অনেক কম। এ পাখিগুলো হোয়াইট ফিডও খেয়ে থাকে।

এসব পাখিগুলো খাচায় ডিম পেড়ো বাচ্চা ফোটায়। বাজরিগার পাখি গুলো বিক্রি হয় প্রতি জোড়া ৫০০-৮০০ টাকা, ফিঞ্চ পাখি বিক্রি হয় প্রতিজোড়া ৮০০-১০০০ টাকা, ককাটেল জাভা লাভ বার্ড প্রতিজোড়া ২-৩ হাজার টাকা দরে।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর