শনিবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ১৮ ১৪২৯   ০৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
সর্বশেষ:
বিজয়ের মাসকে ‘মুক্তিযোদ্ধা মাস’ ঘোষণার দাবি দেশে করোনার টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাঁচ বছরের মধ্যে সারাদেশে বিদ্যুতের তার মাটির নিচে যাবে সারা দেশে পুলিশের পক্ষকালব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু কুষ্টিয়ায় খেজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি ঢাকায় অগ্নিসন্ত্রাসীদের বিশৃঙ্খলার লাইসেন্স দেয়া হবে না পদ্মা সেতুর সুফল পেতে শিল্পকারখানার প্রত্যাশা
১৩৬৬

উচ্চশিক্ষায় জনপ্রিয় বিষয়গুলো বাংলাদেশে ‘গুরুত্বহীন’

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০১৯  

খুব পরিচিত ছাড়া অভিভাবক এমনকি শিক্ষার্থীদের জানা শোনার অভাবে বেশ কিছু সাবজেক্টে তেমন কোন আগ্রহ নেই। যার ফলে সঠিকভাবে না জেনে বা বুঝে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সময় মেধা তালিকায় সেসব অপরিচিত বা নতুন শুরু হওয়া সাবজেক্টগুলোকে অবহেলার চোখে দেখা হয়। কিংবা এইসব সাবজেক্ট অধ্যয়নের ক্ষেত্রে তেমন কোন ভবিষ্যৎ নেই বলেই ধরে নেয়া হয়। অথচ অক্সফোর্ড, হার্ভার্ডসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এগুলো প্রথম সারির সাবজেক্ট হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।

 

শিক্ষার্থীদের ভুল ধারণা থেকে বের করে নিয়ে আসার লক্ষ্যে বাংলাদেশে নতুন শুরু হওয়া বিভিন্ন সৃজনশীল সাবজেক্ট এর মধ্য থেকে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন মুনতাসির সিয়াম।

1.উচ্চশিক্ষায় জনপ্রিয় বিষয়গুলো বাংলাদেশে ‘গুরুত্বহীন’

মনোবিজ্ঞান

মনোবিজ্ঞান বা মনোস্তত্ত্ববিদ্যা হলো মানসিক প্রক্রিয়া ও আচরণ সম্পর্কিত বিদ্যা। এটি বিজ্ঞানের একটি তাত্ত্বিক ও ফলিত শাখা যাতে মানসিক কর্মপ্রক্রিয়া ও আচরণসমূহ নিয়ে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান করা হয়। মন ছাড়াও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রেরও মনোবিজ্ঞানের সাথে যোগসূত্র রয়েছে। যেমন- মেডিসিন, আচরণবিজ্ঞান, অপরাধবিজ্ঞান, ভাষাবিজ্ঞান প্রভৃতি। বর্তমানে এটি বেশ জনপ্রিয় বিষয় হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে।

বাংলাদেশে ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম মনোবিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়। এর আগে এটি দর্শন বিভাগের আওতাভুক্ত ছিল। বর্তমানে প্রায় ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞান পড়ানো হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুযোগ পায়না। শুধুমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিকাল সাইকোলজি এবং এডুকেশনাল কাউন্সিলিং সাইকোলজি বিভাগের শিক্ষার্থীরাই মাস্টার্স শেষে সহকারী মনোবিজ্ঞানী হিসেবে কাজে যোগদান করতে পারে। এ বিভাগগুলোর শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটে ১২০০ ঘন্টা রোগী দেখার মাধ্যমে ইর্ন্টানি সম্পন্ন করতে হয়।

পুরোপুরি মনোবিজ্ঞানী খেতাবের জন্য শিক্ষার্থীকে অবশ্যই এম.ফিল সম্পন্ন করতে হয়। এ কারনে বাংলাদেশে প্রয়োজনের তুলনায় পেশাদার মনোবিজ্ঞানীর সংখ্যা খুবই কম।

বাংলাদেশে মনোবিজ্ঞান অনুশীলন ও প্রশিক্ষণের পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকলেও, বিশ্বের প্রায় সকল দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মনোবিজ্ঞান পড়ানো হয় বিধায় এদেশের অনেক শিক্ষার্থীর স্কলারশিপের মাধ্যমে বিদেশে গিয়ে পড়ার সুযোগ বাড়ছে। উন্নত দেশগুলোতে মনোবিজ্ঞানের প্রচুর চাহিদা লক্ষ্য করা যায়।

বিশ্ববিখ্যাত সব বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়ে পড়াশুনার সুযোগ রয়েছে। এটি বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ৬ নম্বর সাবজেক্ট। মনোবিজ্ঞানের শিক্ষার্থোদের এনজিও, ব্যাংক, কারখানা, ক্রিমিনাল সেকশন, স্কুল-কলেজ ও অটিজম ডেভেলপমেন্ট, হাসপাতাল, মাদক নিরাময় কেন্দ্রে প্রভৃতি ক্ষেত্রে অসংখ্য কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

ইরফাত শারমীন হুমায়রা, মনোবিজ্ঞান বিভাগ, ২০১৬-১৭ সেশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

 

2.উচ্চশিক্ষায় জনপ্রিয় বিষয়গুলো বাংলাদেশে ‘গুরুত্বহীন’

ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ

বাংলাদেশে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ সাবজেক্টটা এখনও অনেকের কাছেই অপরিচিত। আবার অনেকে নামটা শুনে থাকলেও, বুঝতে পারেন না যে এর কাজ কি! বাংলায় এটিকে “উন্নয়ন অধ্যয়ন” বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি ডিপার্টমেন্ট। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, এটি হচ্ছে সমাজবিজ্ঞানের প্রায় সব ডিপার্টমেন্টের একটি সংমিশ্রণ। অর্থনীতি, সমাজতত্ত্ব, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা থেকে শুরু করে নৃবিজ্ঞান পর্যন্ত প্রায় সব বিষয়েরই প্রতিচ্ছবি আছে এই সাবজেক্টে। এছাড়াও জেন্ডার ডেভেলপমেন্ট নিয়েও তুমুল গবেষণা হয় এখানে।

অনেকে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করে থাকেন যে, এই সাবজেক্টের ভবিষ্যৎ কি? শিক্ষার্থীরা কি করতে পারবে এই সাবজেক্টে পড়ে?

আমরা একটু ভেবে দেখলেই কিন্তু খুব সহজেই এর উত্তরটা পেতে পারি। উন্নয়ন প্রয়োজন কোথায় না হয় বলুন তো! সময়ের সাথে সাথে প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই আমাদের উন্নয়নের প্রয়োজন। উন্নয়ন না ঘটলে সভ্যতার ধারায় আমরা পিছিয়ে পড়বো এতে কোন সংশয় নেই। সেহেতু এই সাবজেক্টের প্রতিটা ক্ষেত্রেই অবাধ বিচরণ এ বিষয়েও কোন সংশয় নেই। Economic development officer, Teacher, International aid worker, Foreign correspondent সহ আরো অনেক চমৎকার ক্ষেত্র অপেক্ষা করে থাকে এই সাবজেক্টের শিক্ষার্থীদের জন্য।

আমাদের দেশে এর সূচনা একটু দেরীতে শুরু হলেও বাইরের বিশ্বে এর কদর অনেক বেশি। University of Sussex কে এই সাবজেক্টের জন্য সেরা মনে করা হয়। এছাড়াও রয়েছে Harvard University, University of Oxford, London School of Economics and Political Science এর মত প্রতিষ্ঠানে এর অবস্থান প্রথম সারিতেই। তবে বর্তমানে আমাদের দেশেও এটি ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে। এই সাবজেক্টের সাথে সম্পর্কিত সবচেয়ে পরিচিত নাম হচ্ছে “বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)”। ঢাকা এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ আগে থেকেই স্নাতক শ্রেণীর জন্য ছিল। গত বছর অর্থাৎ ২০১৮ থেকে একই সাথে চট্টগ্রাম ও কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ও সাবজেক্টিটি চালু করা হয়েছে। এই সাবজেক্টে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সুযোগ রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, BRAC University র মতো প্রতিষ্ঠানে।

বিভিন্ন সাবজেক্টের প্রতিচ্ছবি থাকায় ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ সাবজেক্টেটির বৈচিত্র্য শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নকে আকর্ষণীয় করে তোলে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো, এতে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ পছন্দ অনুযায়ী নিজেদের ক্ষেত্র খুঁজে নিতে পারে যেহেতু এর ব্যাপকতা প্রচুর। আশা করি, পুরো বিশ্বের মত আমাদের দেশেও এর বিস্তার বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে সাবজেক্টটি নিয়ে অধ্যয়ন করার আগ্রহ ধীরে ধীরে আরো বেশি সম্প্রসারিত হবে।

শ্রীময়ী মজুমদার, ডেভলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ, ২০১৭-১৮ সেশন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

 

3.উচ্চশিক্ষায় জনপ্রিয় বিষয়গুলো বাংলাদেশে ‘গুরুত্বহীন’

বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি

“শান্তির জন্য ধর্ম” এই স্লোগানটিকে ধারণ করে বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি সাবজেক্টটির যাত্রা শুরু হয়। যার প্রধানতম উদ্দেশ্য হলো একটি অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। ধর্ম ও সংস্কৃতির উৎপত্তি এবং ক্রমবিকাশ, ভারতীয় দর্শন, ধর্ম দর্শন, ধর্মীয় ঐতিহ্য, ইসলাম ধর্ম, সনাতন বা হিন্দু ধর্ম, খ্রিস্ট ধর্ম, ইহুদী ধর্ম, শিখ ধর্ম, জরাথুস্ট্রবাদ, চীনা ও জাপানিজ ধর্ম, উত্তর আমেরিকান ধর্ম, বিশ্ব ধর্মে নারীদের অবস্থান, সরকার ও রাজনীতি, ইতিহাস, আদি মানব গোষ্ঠীদের ধর্মীয় চর্চা, শান্তি ও সংঘর্ষ, আফ্রিকান ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি, বাংলাদেশ অধ্যয়ন, সমাজবিজ্ঞান, গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি, ধর্ম ও পরিবেশ, আন্তঃ ধর্মীয় সংলাপ প্রভৃতি বিষয় এই সাবজেক্টটির পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই সাবজেক্টে পড়ালেখা করে শিক্ষার্থীরা কি ধরনের কর্মক্ষেত্রে যোগ দেয়ার সুযোগ পাবে?

সত্যিকার অর্থে যেকোনো কর্মক্ষেত্রেই সুযোগ পাওয়া নির্ভর করে মূলত নিজের আত্ম- দক্ষতার ওপর। একটি সাবজেক্ট কখনই একজন শিক্ষার্থীকে কর্মক্ষেত্রে সুযোগ পাওয়ার পথ তৈরি করে দিতে পারে না, যদি না সে নিজে সেই সাবজেক্টটি গভীরভাবে অধ্যয়নের মধ্য দিয়ে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত না হতে পারেন। আর

যদি একজন শিক্ষার্থী সেই জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হতে পারেন, তবে কর্মক্ষেত্রে যুক্ত হওয়ার অসংখ্য সুযোগ তার কাছে এসে হাতছানি দিতে কার্পণ্য বোধ করে না। বাংলাদেশে প্রায় সব রকমের শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রের জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়ার শর্তাবলী প্রায় একইরকম। সে অনুযায়ী বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি অধ্যয়ন করেও একই ধারায় শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সুযোগ পেয়ে থাকে। এছাড়াও এ বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিসিএস প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্র ক্যাডার, সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন ব্যাংক, দেশী বিদেশী বিভিন্ন এনজিও ও গণমাধ্যম, জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রজেক্ট, কর্পোরেট সেক্টর সহ প্রভৃতি জায়গায় কর্মরত আছেন অর্থ্যাৎ এসব কর্মক্ষেত্র এই সাবজেক্টের শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত। এ ছাড়াও সরকারী ও বেসরকারী খাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রয়েছে এ বিভাগের শিক্ষার্থীদের গবেষণা কাজ করারও অসংখ্য সুযোগ।

আসিফ আল হাসান, বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ, ২০১৬-১৭ সেশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

 

4.উচ্চশিক্ষায় জনপ্রিয় বিষয়গুলো বাংলাদেশে ‘গুরুত্বহীন’

পাবলিক হেলথ এন্ড ইনফরমেটিক্স

সম্প্রতি পাবলিক হেলথ এন্ড ইনফরমেটিক্স সাবজেক্টির নাম হয়তো অনেকেই শুনে থাকবেন। তবে এর ক্যারিয়ার ফিল্ড সম্বন্ধে সঠিক ধারণা না থাকায় এই সাবজেক্টে অধ্যয়ন করার ব্যাপারে অনেকেই দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ে যায়। পাবলিক হেলথ বলতে আমরা সাধারণত রোগ প্রতিরোধ বিদ্যা বুঝে থাকি। তবে ক্লিনিক্যাল মেডিসিনের সাথে পাবলিক হেলথ এর পার্থক্য হলো, ক্লিনিক্যাল মেডিসিন রোগ নিরাময় নিয়ে কাজ করে আর পাবলিক হেলথ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো রোগের কারণ খুঁজে বের করা এবং তার প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। পাবলিক হেলথ সাধারণত স্বাস্থ্য জটিলতা কমাতে এবং স্বাস্থ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে থাকে।

একজন শিক্ষার্থী যদি নিজেকে একজন হেলথ সাইন্টিস্ট বা হেলথ প্রফেশনাল হিসেবে নিজেকে দেখতে চায়, তবে এই সাবজেক্টটি আপনার জন্যই। Reproductive and Child Health, Epidemilogy, Demology and Population, Dynamics. Biostatstics, Health Economics, Community Medicine, Human Anatomy, Human Physiology, Biochemistry, Microbiology, Immunology, Hospital Management, Research Methodology, Pharmacology, Mental Health, Hospital Management, Health Informatics(IT related) সহ বিভিন্ন কোর্স এই সাবজেক্টে পড়ানো হয়।

এ সাবজেক্টের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারীভাবে রয়েছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ পাবলিক হেলথ, কমিউনিটি মেডিসিন, বিভিন্ন হসপিটাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর, ডিরেক্টর, ম্যানেজারের মত অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ চাকরিসহ প্রভৃতি সেক্টরে কাজ করার সুযোগ। দেশে কিংবা দেশের বাইরে যেমন অ্যাকাডেমীক রিসার্চার বা রিসার্চ অ্যাসিস্টেন্ট হিসেবেও কাজ করা যায়। BRAC, USAID, UNICEF, UN, UChicago, OGSB, WHO, Demein Foundation, CIPRB, ORBIS, Water Aid, Save the Children এর মত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকে শুরু করে দেশি বিদেশী অসংখ্য এনজিও রিসার্চ সেন্টারেও কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এর বাইরেও বর্তমানে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গবেষণা প্রজেক্ট, ওয়াটার এইড ও কেয়ারের বিভিন্ন প্রকল্পে এই সাবজেক্টে বাংলাদেশী ডিগ্রি ধারীদের কাজ করার জন্য রয়েছে বিশেষ অগ্রাধিকার।

সানজিদা আহমদ নিসা, পাবলিক হেলথ এন্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগ, ২০১৬-১৬ সেশন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর