শনিবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৫ ১৪২৬   ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

১০

হৃদপিণ্ড থেমে যাওয়ার ছয় ঘন্টা পর বেঁচে উঠলেন নারী

নিউজ ডেস্ক:

প্রকাশিত: ৭ ডিসেম্বর ২০১৯  

হৃদযন্ত্রের স্পন্দন বন্ধ থাকার ছয় ঘন্টা পর তাকে বাঁচিয়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। চিকিৎসকরা একে বিরল এবং বিস্ময়কর ঘটনা বলে বর্ণনা করেছেন।

অড্রে স্কুম্যান নামের ওই নারী মারাত্মক হাইপোথারমিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন। তার হাঁটতে-চলতে অসুবিধা হচ্ছিল। কিন্তু এরপরেও তিনি তার স্বামীর সঙ্গে স্পেনের পাইরেনিস পার্বত্য এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন।

তার বাস স্পেনের বার্সেলোনায়। একপর্যায়ে তুষার ঝড়ের কবলে পড়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। এ সময় তার হৃদযন্ত্র একদম বন্ধ হয়ে যায়।  

অড্রে স্কুম্যানের স্বামী রোহানের ধারণা ছিলো তার স্ত্রী মারা গেছেন। ইমার্জেন্সি সার্ভিসের জন্য যখন তারা অপেক্ষা করছেন, তখন তিনি স্ত্রীর পালস পাচ্ছিলেন না। তার স্ত্রী শ্বাস নিচ্ছেন বলেও মনে হচ্ছিল না। হৃদস্পন্দনও বন্ধ ছিলো।

দু’ঘন্টা পর সেখানে উদ্ধার কর্মীরা এসে পৌঁছান। সে সময় মিসেস স্কুম্যানের শরীরের তাপমাত্রা নেমে গেছে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উদ্ধার কর্মীরা তাকে বার্সেলোনার এক হাসপাতালে নিয়ে যান। তিনি যে বেঁচে আছেন, তার কোন লক্ষণই পাচ্ছিলেন না তারা।

হাসপাতালের ডাক্তার এডুয়ার্ড আরগুডো বলেন, পাহাড়ের যে প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে অড্রে স্কুম্যান অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সেটাই হয়তো আবার তার জীবন বাঁচিয়ে দিয়েছে। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, হাসপাতালে আনার পর তাকে দেখে মনে হচ্ছিল তিনি মারা গেছেন।

ড: আরগুডো বলছেন, অড্রে স্কুম্যান যখন অচেতন হয়ে পড়েছিলেন তখন হাইপোথার্মিয়াই তার শরীর এবং মস্তিস্ককে রক্ষা করেছিল। যদিও এই হাইপোথার্মিয়া তাকে প্রায় মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। যদি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এত দীর্ঘ সময় তার হৃদযন্ত্র বন্ধ থাকতো, তাহলে কিন্তু তিনি মারা যেতেন।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা