মঙ্গলবার   ১০ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৬ ১৪২৬   ১২ রবিউস সানি ১৪৪১

২৫

স্মার্ট প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সেরা ১০ এর তিনটিই ডুয়েটের দখলে

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক:

প্রকাশিত: ১ ডিসেম্বর ২০১৯  

তিনটি স্মার্ট প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) শিক্ষার্থীরা। আর এই তিনটি প্রযুক্তি হলো ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রান্সপোর্ট রোবট’, ‘বাস প্যাসেঞ্জার ও ফুয়েল মনিটরিং সিস্টেম’, ‘আইওটি ইজিয়ার’।

আবিষ্কার করেছেন ডুয়েটের এগারো শিক্ষার্থী। তারা হলেন ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সিদরাত মুনতাহা নূর প্রান্ত, ফজলে রাব্বি, আতিকুর রহমান, মো. জাহেদুল ইসলাম, সাদিয়া বর্ষা ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সুকান্ত শর্মা শিপ্লব, দীপ চৌধুরী, মো. রাকিবুল হাসান ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের যারিন তাসনিম তামান্না ও পাপ্পুরাজ ভট্টাচার্য্য ও গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ছাত্র তানজিম ইকরাম।

এরআগে ঢাকার বসুন্ধরায় ২৮ থেকে ৩০ নভেম্বর হয়ে গেলো ‘ইনোভেশন ফর স্মার্টসিটি’। এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ‘রেড কার্পেট থ্রিসিক্সটিফাইভ ও বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম’। 

কম খরচে ও স্বল্প সময়ে ইন্ডাস্ট্রিতে মালামাল পরিবহনের জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রান্সপোর্ট রোবট ব্যবহার করা যাবে। ইন্টারনেট অব থিঙ্কস ব্যবহার করা এই রোবটের মাধ্যমে কাঁচামাল ও রেডি প্রোডাক্টগুলো খুব সহজেই ঝামেলা ছাড়াই বিনা পরিশ্রমে গন্তব্যে পৌঁছে যাবে।

অন্যদিকে গাড়ির প্যাসেঞ্জার গণনাকারী ডিভাইসের মাধ্যমে সিটিং সার্ভিসে পথিমধ্যে চেকার দিয়ে গণনার সমস্যাটার সমাধান হয়েছে। থাকছে গণ-পরিবহণগুলোর নিজের সঙ্গে ঘেষাঘেষি প্রতিরোধের অনন্য আবিষ্কার। ফুয়েল মনিটরিং এর গাড়ির মালিক তেল চুরি প্রতিরোধ করতে পারবে। গাড়িতে ওভার-লোড নিলেই সংকেত বাজবে ও আইওটি নোটিফিকেশন যাবে গাড়ির মালিকের কাছে।

আর আরেক মজাদার উদ্ভাবন ছিল আইওটি ইজিয়ার। যা দিয়ে সাত-আট বছরের বাচ্চারা নিজ হাতেই দুমিনিটেই তৈরি করতে পারবে তাদের খেলনা রিমোট কন্ট্রোল গাড়িসহ আরো ছয়শ ডিভাইস। ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ এবং সবার জন্য রোবটিক্স ছিল এই আইওটি ইজিয়ারের মূলমন্ত্র।

অনুভূতি জানাতে গিয়ে ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সিদরাত মুনতাহা নূর প্রান্ত জানান, আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ নিজ অর্থায়নে কাজ করে যাচ্ছি। যদি সরকারের সহযোগিতা পাই তাহলে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে আমরাও অংশগ্রহণ করতে পারবো খুব সহজেই। আমরা নিয়মিত বিভিন্ন ডিজিটাল উদ্ভাবনী নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। পাশাপাশি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের হাতিয়ার রূপে গড়ে তুলছি। 

রোবোমেন্টের উপদেষ্টা ডুয়েটের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, রোবোমেন্টের বিজয় শুধু ডুয়েটের নয়। সারা দেশের জন্যই গর্বের। রোবোমেন্ট এভাবে কাজ করলে এক সময় আমরা উদ্ভাবিত জিনিসগুলো বাইরের দেশে রফতানি করতে পারবো। এভাবেই তারা দেশের জন্য নতুন নতুন জিনিস উদ্ভাবন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর