মঙ্গলবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৫ ১৪২৬   ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

রোগীদের সেবা করবে স্কুলছাত্রের আবিষ্কৃত হেলপার রোবট!

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২০  

হাসপাতালে অনেক সময় অসহায় রোগীদের সঙ্গে সহযোগী কেউ থাকে না। আবার নার্সরাও সবদিক সামলে ওঠতে পারেন না। তবে তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার সেবা দেবে হেলপার রোবট। রোগীদের ব্যাডে ওষুধ ও খাদ্য পৌঁছে দেওয়া এবং প্রয়োজনীয়  কারণে ব্যবহার করা যাবে এই হেলপার রোবট। 

এমন এক হেলপার রোবট তৈরি করে আবারও হৈ চৈ ফেলে দিয়েছে ক্ষুদে বিজ্ঞানীখ্যাত আব্দুল্লাহ আল নবী নোমান। জাতীয় শিশু প্রতিযোগিতা পুরস্কার ২০২০ এ মেহেরপুর জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নোমান। 

আব্দুল্লাহ আল নবী নোমান মেহেরপুরের গাংনীর তেরাইল-জোড়পুকুরিয়া ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক জাবলুন্নবী ও জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুসরাত সুলতানার ছেলে। সে লাইসিয়াম স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।

এর আগে গেল বছর  বায়ু বিদ্যুতের (উইন্ডমিল) মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ যন্ত্র উদ্ভাবনের করে হৈ চৈ ফেলে দিয়ে জেলা ও বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করেছিল।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির উদ্যোগে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা ২০২০ অনুষ্ঠিত হবে।

গতকাল রোববার মেহেরপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘খ’ গ্রুপে অংশ নেয় নোমান। প্রতিযোগিতায় তার তৈরি হেলপার রোবট প্রদর্শন করে। ক্ষুদে বিজ্ঞানী নোমান তার রোবটের কার্যকারিতা দেখিয়ে বিচারকদের আকৃষ্ট করে। সহজলভ্য ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি দিয়ে হেলপার রোবট তৈরি করেছে নোমান। এর মধ্যে রয়েছে তার খেলনার জন্য কেনা ভাঙাচোরা গাড়ির অংশবিশেষ। সম্পূর্ণ রিমোট দিয়ে পরিচালিত এই হেলপার রোবট হাসপাতালের রোগী সেবা ছাড়াও বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করতে পারবে বলে জানায় ক্ষুদে বিজ্ঞানী নোমান। 

এর আগে রোবট প্রদর্শন করে গাংনী উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। এরই ধারাবাহিকতায় জেলা চ্যাম্পিয়ন হয়ে এখন বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে ক্ষুদে বিজ্ঞানী নোমান। আবিষ্কারের নেশার পাশাপাশি লেখাপড়াতেও ভালো করছে সে। ২০১৯ সালে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পায় নোমান।

এ প্রসঙ্গে নোমানের গর্বিত পিতা জাবলুন্নবী আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ছেলে সবসময় আবিষ্কার নিয়েই ব্যস্ত থাকে। এটা এক প্রকার নেশায় পরিণত হয়েছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি তার এই কাজের আগ্রহ থাকায় আমরাও তাকে সহযোগিতা করছি। বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মধ্য দিয়ে নোমানের এই প্রজেক্ট দেশের কাজে লাগবে এমন আশা জাবলুন্নবীর।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর