শনিবার   ০৬ জুন ২০২০   জ্যৈষ্ঠ ২২ ১৪২৭   ১৪ শাওয়াল ১৪৪১

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
৪৫

মেহেরপুরে হাঁসপালনে স্বাবলম্বী খামারিরা

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২ ডিসেম্বর ২০১৯  

হাঁসের খামার গড়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন মেহেরপুরের বিদেশ ফেরত যুবকেরা। তাদের দেখে স্থানীয় বেকার ও উদ্যোমী যুবকসহ অনেক দুস্থ পরিবার হাঁস পালন শুরু করেছেন। জেলার অর্ধশতাধিক গ্রামের পারিবারিকভাবে হাঁস পালনসহ গড়ে উঠছে খামার।

খামারীরা বলছেন, বিদেশ বিঁভুইয়ে তারা যে আয় করতেন এখন তার কয়েক গুণ আয় করছেন হাঁসের খামার গড়ে।

জানা যায়, কয়েক বছর আগে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুবাইয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন তিনবন্ধু মাহবুবুর রহমান, সাহারুল ইসলাম ও শফিকুল ইসলাম। সেখানে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করতে না পেরে ফিরে আসেন দেশে। ইউটিউব ঘেঁটে হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগলের মতো সম্ভাবনাময় প্রাণিজ খামার করার ধারণা নিয়ে সদর উপজেলার গহরপুর গ্রামে গড়ে তুলেন হাঁসের বিশাল খামার।

এদিকে খামারীদের দেখাদেখি পারিবারিকভাবে হাঁসপালন শুরু করেছে অনেক দুস্থ পরিবার। ডিম ও মাংসের চাহিদা মেটাতে গৃহিনীদের মধ্যে পাতিহাঁস ও রাজহাঁস পালনে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। এ দিয়ে তারা ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচের পাশাপাশি পরিবারের খুঁচরো খরচের যোগান দিচ্ছেন।

জেলার গাংনী উপজেলার চেংগাড়া, বানিয়াপুকুর, গোপালনগর, সাহারবাটি, ভাটপাড়া, নওপাড়া, জোড়পুকুরিয়াসহ প্রায় অর্ধশত গ্রামে পাতিহাঁস, রাজহাঁস পালন দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়। উপজেলার ভৈরব নদ এবং কাজলা নদীর তীরবর্তী গ্রাম ও পুকুর-খাল-ডোবা সমৃদ্ধ এলাকায় এই হাঁসের খামার বেশি। 

এ ব্যাপারে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হাঁস পালনের খামারিদের সব সময় পরামর্শ দেওয়া হয়। সীমিত জনবলেও বিভিন্ন প্রাণির চিকিৎসা ও পালন পদ্ধতি বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। হাঁসের খামার গড়ে অনেকে স্বাবলম্বী হওয়াতে এখন পারিবারিকভাবেও হাঁসপালন বেড়েছে।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর