সোমবার   ১৫ জুলাই ২০২৪   আষাঢ় ৩০ ১৪৩১   ০৭ মুহররম ১৪৪৬

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
সর্বশেষ:
দেশের চার বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পেল ৭৭ প্রতিষ্ঠান ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে সহজ হয় সর্বদা সেই কাজই করছি: প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে রপ্তানি বাণিজ্য প্রসারের বিকল্প নেই দেশে কোনো মানুষ অতিদরিদ্র থাকবে না: শেখ হাসিনা
৪৪

বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখন উপযুক্ত সময়

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০২৪  

বিশ্বের সবচেয়ে উদার বিনিয়োগ ব্যবস্থা বাংলাদেশে-এমনটি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনা ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এখন বাংলাদেশে বিনিয়োগের সময় এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমাদের হাতে হাত মিলিয়ে একসঙ্গে আমরা দুর্দান্ত কিছু অর্জন করতে পারি। বেইজিংয়ে ‘বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, ব্যবসা এবং বিনিয়োগের সুযোগ’ শীর্ষক শীর্ষ সম্মেলনে বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান। 

প্রধানমন্ত্রী চীনা ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের মূল খাতগুলো বিবেচনা করার জন্য উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের অবকাঠামো, জ্বালানি এবং লজিস্টিক খাতে বিনিয়োগকে স্বাগত জানাই। তিনি আইসিটি, পর্যটন, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ শিল্প এবং উন্নয়ন খাতেও বড় পরিসরে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। 

চীনে ৪ দিনের দ্বিপাক্ষিক সফরের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশ দূতাবাস, বিআইডিএ, বিএসইসি ও সিসিপিআইটি চায়না ওয়ার্ল্ড সামিট উইং, শাংরি-লা সার্কেল এ সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনে বাংলাদেশ ও চীনের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৬টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বিনিময় হয়েছে। এ সফরে আজ স্থানীয় সময় বিকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা। রাতেই ঢাকায় ফিরছেন তিনি। 

পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী কাল সকালে তার ঢাকায় ফেরার কথা ছিল। সে সময় এগিয়ে আনা হলেও অন্য সব কর্মসূচি অপরিবর্তিত রয়েছে। চীনের ভাইস মিনিস্টার অব কমার্স লি ফেই, চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ওয়াং টংঝু, এইচএসবিসি চায়নার প্রেসিডেন্ট ও সিইও মার্ক ওয়াং, হুয়াওয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সাইমন লিন, বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. জসিম উদ্দিন এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবায়াত-উল ইসলাম। বাংলাদেশ ও চীনের কয়েকশ ব্যবসায়ী নেতা, বিনিয়োগকারী এবং উদ্যোক্তা এ সম্মেলনে অংশ নেন। সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি চীনা বিনিয়োগের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ জ্বালানি খাতে। জলবায়ু-সহনশীল স্মার্ট ফার্মিং কৃষি-প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে সহযোগিতার সুযোগ উন্মুক্ত করে। আমরা তিনটি বিশেষ পর্যটন অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছি যেখানে চীন রিয়েল এস্টেট এবং আতিথেয়তা খাতে বিনিয়োগ করতে পারে। আমি চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে পোর্টফোলিও বিনিয়োগ অন্বেষণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার লক্ষ্যে পুঁজিবাজারের আরও উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। আমরা একটি শক্তিশালী বন্ড বাজার বিকাশে উল্লেখযোগ্য এগিয়েছি। আমরা ডেরিভেটিভ পণ্য প্রবর্তনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছি, যা আমাদের আর্থিক বাজারকে আরও বৈচিত্র্য ও প্রসারিত করবে। 

বাংলাদেশ ডিজিটাল যুগকে উন্মুক্ত বাহুতে আলিঙ্গন করছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার সক্রিয়ভাবে আইসিটি সেক্টরের প্রবৃদ্ধি জোরদার করছে, স্টার্টআপদের জন্য প্রণোদনা দিচ্ছে, টেক পার্কে বিনিয়োগ করছে এবং উদ্ভাবনা ও উদ্যোক্তাকে উৎসাহিত করে এমন একটি ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে। আমাদের তরুণ উদ্যোক্তারা বিশ্ব মঞ্চে তাদের অবস্থান তৈরি করছে এবং আমরা আপনাদের এ আকর্ষণীয় যাত্রার শরিক হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ‘আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সবুজ প্রযুক্তিতে অসংখ্য সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।’ 

বাংলাদেশে বিনিয়োগের যুক্তি ব্যাখ্যা করে শেখ হাসিনা বলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ পথের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ রয়েছে। আমরা দক্ষিণ এশীয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় এবং পূর্ব এশীয় প্রবৃদ্ধি সার্কিটের সংযোগস্থলে রয়েছি। আমাদের সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর এবং স্থল পথগুলোকে আন্তর্জাতিকমান পূরণের জন্য ক্রমাগত উন্নত, দক্ষ এবং নির্বিঘ্ন লজিস্টিক নিশ্চিত করা হচ্ছে। বাংলাদেশের বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার এবং এর সংলগ্ন বাজারগুলোতে সমগ্র অঞ্চলের জন্য অফুরন্ত সুযোগ রয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম উদার বিনিয়োগ ব্যবস্থা প্রদান করছে। বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এক ছাদের নিচে অনেক সেবা দিয়ে থাকে। বাংলাদেশ ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছে। প্রতিটি অঞ্চল অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত। 

উপরন্তু, প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রধান অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে বাংলাদেশ পাঁচটি দেশের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছে। এ ছাড়া সরকার ব্যবসায়িক কাজকর্মকে আরও সহজ করে তুলতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকার আরও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি নিরাপদ ও পূর্বাভাসযোগ্য পরিবেশ দেওয়ার জন্যে একাধিক সংস্কার কাজ শুরু করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, সরকার ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে মসৃণ ও দক্ষ করে তুলতে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন, সরলীকৃত পদক্ষেপ ও পদ্ধতি তৈরি, স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং উন্নত অবকাঠামো তৈরি করেছে। আমাদের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় বিনিয়োগের গন্তব্যে নেওয়া।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নীতিমালায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে সড়কপথ, রেলপথ এবং সমুদ্রবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এজন্য মেগা-প্রকল্পগুলো এগিয়ে নিয়েছি এবং সম্পন্ন করেছি। দেশব্যাপী বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সরবরাহের অর্জনও আমাদের রয়েছে। বাংলাদেশে প্রতিযোগিতামূলক মজুরিতে ব্যাপক দক্ষ শ্রমিক রয়েছে। 

বাংলাদেশে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নিবন্ধিত আইটি ফ্রিল্যান্সার গোষ্ঠী রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দূরবর্তী এলাকায় পৌঁছানোর জন্য আমাদের টেলিকমিউনিকেশন অবকাঠামো উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছি। সরকার পর্যায়ক্রমে ৩৮টি হাইটেক পার্ক স্থাপন করছে এবং কিছু প্রতিশ্রুতিশীল খাতে বিদেশি বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে একটি ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা আমাদের ভিশন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো এর তরুণ ও গতিশীল কর্মীবাহিনী। আমাদের যুবকরা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, চামড়াজাত, পাটজাত ও কৃষিজাত পণ্যসহ চীনে আরও পণ্য রপ্তানি করতে আগ্রহী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের রপ্তানিমুখী শিল্পে চীনা বিনিয়োগকে স্বাগত জানাই, যা আমাদের রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সাহায্য করবে।’ 

তিনি বলেন, ব্যবসায়িক সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ গঠনে উৎসাহিত করছে। এ সহযোগিতা উভয়পক্ষের জন্য প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাজারে প্রবেশকে সহজতর করবে।

শেখ হাসিনা বলেন, উদ্ভাবন এবং প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির জন্য গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আমাদের দক্ষ কর্মশক্তি এবং একাডেমিক দক্ষতা ব্যবহার করে চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে গবেষণা ও উন্নয়নকেন্দ্র স্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানাই। 

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা কামনা : প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে সহায়তা করতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান ওয়াং হুনিংয়ের নেতৃত্বে পার্টির গুরুত্বপূর্ণ শাখা চীনা পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্স (সিপিপিসিসি)-এর উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটির সঙ্গে মঙ্গলবার সকালে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ সহায়তা চান। পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। 

হাছান মাহমুদ বলেন, বৈঠকে দুদেশের বিভিন্ন আঞ্চলিক ও দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে রোহিঙ্গা, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ব্যবধান কমানো, অর্থপূর্ণভাবে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদ্যাপন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাড়ানোর ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাড়ে ছয় বছর ধরে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে এবং তাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের কোনো উদ্যোগ এখনো নেওয়া হয়নি। সিপিপিসিসি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা মিয়ানমারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা নেব।

ব্রিফিংয়ে অর্থমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

চীনা বিপ্লবী বীরদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার তিয়েন আনমেন স্কোয়ারে চীনা বিপ্লবী বীরদের স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী চীনা বিপ্লবী বীরদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী এখানে এসে পৌঁছলে চীনা সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকশ দল তাকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়।

উন্নত বাংলাদেশ গড়তে এআইআইবির সহায়তা কামনা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ এবং ডিজিটাল দেশে রূপান্তর করতে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংককে (এআইআইবি) সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। 

এআইআইবির প্রেসিডেন্ট জিন লিকুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেইজিংয়ে তার সৌজন্য সাক্ষাৎ করার সময় প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। 

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নদী খনন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করার লক্ষ্যে জলবায়ু সহিষ্ণুতা গড়ে তোলার জন্য এআইআইবির কাছে অর্থ সহায়তা চেয়েছেন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য ঋণের সুদের হার আরও কমানোর জন্য এআইআইবিকে অনুরোধ করেন। জবাবে এআইআইবি প্রেসিডেন্ট বলেন, ব্যাংকটি এর আগে বাংলাদেশের জন্য বিশেষ ছাড় দিয়েছে এবং আবারও অনুরূপ সুবিধা দেওয়ার কথা বিবেচনা করবে।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর