বৃহস্পতিবার   ১৯ মে ২০২২   জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪২৯   ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
সর্বশেষ:
জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পাওয়ায় শুভেচ্ছায় সিক্ত ইবি ভিসি জিআই সনদ পেলো বাগদা চিংড়ি বাজেট অধিবেশন বসছে ৫ জুন অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত হজের নিবন্ধনের সময় বাড়লো
১৬

দৌলতপুরের ইউএনও একজন কর্ম উদ্যোগী সেবক

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ মে ২০২২  

সবকিছুর উর্ধ্বে জনগণের সেবা এ বারতা নিয়েই মাস ছ‘য়েক আগে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলায় ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন জনাব মোঃ আব্দুল জব্বার। ইতিমধ্যে তিনি তার কাজের মাধ্যমে দৌলতপুর উপজেলার মানুষের মনে ঠাঁই করে নিয়েছেন। 

জানা যায়, তার সাধ্যের মধ্যে থাকলে এবং আইন-কানুন পারমিট করলে কোন মানুষ তার কাছ থেকে ফেরত আসে না। অত্যান্ত সৎ ও কর্মউদ্যোগী মানুষ হিসেবে জনগনের জন্য ভাল কিছুর চেষ্টা করে চলেছেন। ‘জনসেবার জন্য সিভিল সার্ভিস’এই উক্তিটির যথার্থতা প্রমাণ করে চলছেন ইউএনও মোঃ আব্দুল জব্বার। 

৬৬২ বর্গকিলোমিটার ভূ-খন্ডের প্রায় ছয় লক্ষাধিক জনগণের আবাসস্থল কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলা। যে উপজেলাটি প্রায় মেহেরপুর জেলার সমান। আয়তন ও কর্মপরিবেশ বিবেচনায় অত্যান্ত দুরুহ বিষয় হলেও সকলের আস্থা ও নির্ভরতার জায়গা হিসেবে সকলের প্রতি তিনি সেবার হাত প্রসারিত করতে দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন।

তিনি যোগদানের পর তাঁর সহকর্মী, জনপ্রতিনিধি, সুধীজন, সাংবাদিক, শিক্ষক প্রতিনিধি, ব্যবসায়ীগনের সাথে মতবিনিময় করে সকলকে জানান,  সাধারণ মানুষের প্রতিটি সরকারি দপ্তর হতে সেবা ও সহযোগিতা পাওযার অধিকার রয়েছে । প্রতিটি মানুষ চায় সরকারি সকল দপ্তর হতে অতি সহজে কোন ভোগান্তি ও হয়রানি মুক্ত সেবা পেতে। 

এ অর্থেই একজন কর্মকর্তার উচিৎ  প্রতিটি ক্ষেত্রেই সেবা প্রত্যাশীদের অত্যন্ত সততা, স্বচ্ছতা, নিষ্ঠাসহ যথা সম্ভব ত্বরিত সেবা প্রদান করা। তাই তাদের কথা/ অভিযোগ শুনে আইন-কানুন মেনে দ্রুত সেবা প্রদান করতে পারলে মানুষের ভোগান্তি কমে এবং  প্রশাসনের সাথে মানুষের দূরত্ব কমে। তখন যে কোন সমস্যা দুরীকরনে সুবিধা হয় বলে তিনি মনে করেন।

তিনি যোগদানের পর দীর্ঘদিনের পড়ে থাকা সমস্যাগুলো অগ্রাধিকার বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছেন। মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষকদের বিষয়ে তিনি নিবিড়ভাবে সমস্যা সমাধানের জন্য আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। জরুরী কোন কাজ না থাকলে অতি দ্রূত তার অফিসে আসা মানুষকে অনুভব করেন, কোন সমস্যা থাকলে যতদ্রুত সম্ভব নিয়মতান্ত্রিকভাবে সমাধান করতে চেষ্টা করেন। 

 
ইতোমধ্যে সকল তিনি পেশাজীবি ও সাধারন মানুষের আস্থাভাজন হয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সময় অনুবর্তিতার মাপকাটিতে এ কর্মকর্তা এখনও পর্যন্ত দৃষ্টান্ত রেখে চলেছেন। তার অফিসের স্টাফদের নিকট হতে জানা যায় তিনি সকাল নয়টার পূর্বেই অফিসে আসেন। প্রতিটি মিটিং সময়মত আরম্ভ ও সময়মত শেষ করার ক্ষেত্রে তার তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। 

উপজেলার উন্নয়ন ও সম্ভাবনার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে তিনি কাজ করে চলেছেন। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, গরীব মেধাবীদের বৃত্তি, মাদকের বিস্তার রোধ, বিনোদনের জন্য পার্ক নির্মানের পরিকল্পনা, উপজেলা পরিষদের স্থায়ী আয়ের জন্য মার্কেট নির্মানের কার্যক্রম গ্রহন, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ, অফিস চত্তরের সৌন্দর্য বধর্ন, পরিস্কার পরিচ্ছনতা অভিযান, শিল্পকলার উন্নয়ন, বিভিন্ন স্কুলে  আকস্মিক পরিদর্শন, ছাত্র ও শিক্ষকের স্ব স্ব বিষয়গুলোর উপর পরামর্শ প্রদান, বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ তদারকি, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন বিষয়ে উদ্যেক্তা ও সচিবদের সাথে বৈঠক, ইউনিয়ন পরিষদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন, উঠান বৈঠকে সমসাময়িক জরুরী ইস্যু/ প্রতিকার নিয়ে সাধারন মানুষকে উজ্জীবিত করা, চেয়ারম্যানদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে জনগনের চাহিদা ও অভিযোগের বিষয়ে ত্বরিত ব্যবস্থা গ্রহন, ইউনিয়ন ভুমি অফিসের বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ণের ঘরের কাজ বাস্তবায়ন, ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন কার্যক্রম ও স্বনির্ভরতার সকল দিকসমুহ কাজে লাগানো, চর অধ্যুষিত ইউনিয়নের জন্য সড়ক অবকাঠামো ও বৃক্ষরোপনের পদক্ষেপ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সরকারের নানামুখী উন্নয়ন কর্মকান্ড সমন্বয়ের মাধ্যমে তিনি নিজেকে জনসেবায় আতœনিয়োগ করেছেন। 

ইতিমধ্যে দৌলতপুর উপজেলা বাসীর মনে একজন কর্ম উদ্যেগী  ইউএনও হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন। প্রত্যাশা রাখা যায় যে,  জন সেবার জন্য নিবেদিত এমন কর্মকর্তার প্রতিটি কার্যক্রম ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে সরকারের সুষম উন্নয়নে দৌলতপুরও সর্বক্ষেত্রেই এগিয়ে যাবে।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর