বুধবার   ৩০ নভেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ১৫ ১৪২৯   ০৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
সর্বশেষ:
উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তিতে আসন সংকট হবে না : শিক্ষামন্ত্রী জামানত নয়, কৃষিঋণে কৃষকের এনআইডি যথেষ্ট: কৃষিসচিব নিজের বাল্যবিবাহ ঠেকানো চুয়াডাঙ্গার শ্রাবন্তী জিপিএ-৫ পেয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কুষ্টিয়ার এক উপজেলাতেই ২৮টি অবৈধ ইটভাটা!
২৯

দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশে যাচ্ছে কুষ্টিয়ার পান

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০২২  

কুষ্টিয়ায় পানের ব্যাপক ফলন হয়েছে। এখানকার পান দেশের বিভিন্ন এলাকায় খুব জনপ্রিয়। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহের পাশাপাশি কুষ্টিয়ার পান যাচ্ছে বিদেশেও। দেশে ও বিদেশে পানের চাহিদা থাকায় কুষ্টিয়া সদর, মিরপুর ও ভেড়ামারা উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে পান চাষ।

জানা যায়, এই জেলার পান চাষিরা গত বছর পান চাষে লাভের মুখ দেখেছিলেন। ফলে অনেক চাষ আবারো পানের চাষ করেছেন এবং নতুন অনেকেই পান চাষে ঝুঁকেছেন। বর্তমানে পান চাষে জৈব বালাইনাশক পদ্ধতি ব্যবহার হওয়ায় একদিকে যেমন স্বাস্থ্যসম্মত পান উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে, তেমনি বেড়েছে ফলন। এতে করে কুষ্টিয়ার পানের কদর এখন দেশের গন্ডি পার হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে বিদেশে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুষ্টিয়ায় বাংলা পান, মিঠা পান, দেশি পান, ঝালি পান, সাচি পান, কর্পূরী পান, গ্যাচ পান, মাঘি পান, উজানি পান, নাতিয়াবাসুত পান, বরিশাল পান ও উচ্চফলনশীল ও রোগ প্রতিরোধে সক্ষম বারি পান-১, বারি পান-২ এবং বারি পান-৩ ছাড়াও বেশ কয়েক জাতের পান চাষ হচ্ছে। তারমধ্যে বাংলা পান ও মিঠা পানের ব্যাপক চাষ হয়ে থাকে।

কুষ্টিয়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে ২১৪০ এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে জেলায় ২২৩০ হেক্টর জমিতে পান চাষ হয়েছে। গত অর্থ বছরের তুলনায় এবছর ৯০ হেক্টর জমিতে পানের বেশি চাষ হয়েছে। আগামী অর্থবছরে এর চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশা করছেন।

মিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, কুষ্টিয়ার অন্য সব উপজেলার মধ্যে মিরপুর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি পান উৎপাদন হয়। গত বছর মিরপুর থেকে ২০ টন, কুষ্টিয়া সদর থেকে ২২ টন ও ভেড়ামারা থেকে ২৭ টন পান লন্ডনসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে রপ্তানি করা হয়েছে। এতে এই তিন উপজেলা থেকে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার পান বিদেশে রপ্তানি করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, এ অঞ্চলের কৃষকের আধুনিক উপায়ে পানের বরজ সংরক্ষণ ও বরজে পান চাষে প্রশিক্ষিত করেছেন। কুষ্টিয়ার পানচাষিরা পান উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ বিষমুক্ত প্রযুক্তি জৈব বালাইনাশক পদ্ধতি ব্যবহার করছেন। একদিকে যেমন স্বাস্থ্যসম্মত পান উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে, তেমনি আগের তুলনায় পানের ফলনও বেড়েছে। চাষিরা আর্থিকভাবেও বেশ লাভবান হচ্ছেন। এখন এ অঞ্চলের পান চাষিরা বিঘাপ্রতি ১ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা লাভ করছেন। পান চাষে স্বাবলম্বী হয়েছেন আনেক চাষি।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর