মঙ্গলবার   ১০ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৬   ১১ রবিউস সানি ১৪৪১

চুয়াডাঙ্গা বক্ষব্যাধি ক্লিনিক নানা সমস্যায় জর্জরিত

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১২ নভেম্বর ২০১৯  

১৯৭৫ সালে ১৭৭ শতক জমির ওপর নির্মিত হয় চুয়াডাঙ্গা বক্ষব্যাধি ক্লিনিক। চুয়াডাঙ্গা জেলায় যক্ষ্মা নির্মূলের ক্ষেত্রে বক্ষব্যাধি ক্লিনিক ভূমিকা রাখলেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় এর চিকিৎসায় ব্যাঘাত ঘটছে।

চুয়াডাঙ্গা বক্ষব্যাধি ক্লিনিকের অফিস সহকারী হাফিজুর রহমান জানান, ক্লিনিকে একজন মেডিক্যাল অফিসার রয়েছেন কিন্তু আড়াই বছর ধরে কোনো কনসালট্যান্ট না থাকায় সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। 

এ ছাড়া এখানে ২০১১ সাল থেকে এক্স-রে মেশিনটি খারাপ রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরে লেখালেখি করে আজ পর্যন্ত কোনো প্রতিকার মেলেনি। বর্তমানে ব্র্যাকের সহযোগিতায় এক্স-রে সুবিধা দেয়ার কাজ চলছে। এখানে অফিস সহকারী একজন, একজন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, চারজন অফিস সহায়ক, দু’জন পরিচ্ছন্ন কর্মী (একজন সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন) ও রেডিও গ্রাফার একজন।

চুয়াডাঙ্গা ব্র্যাকের ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গাীর আলম জানান, যক্ষ্মা নির্মূলের ক্ষেত্রে ব্র্যাক মাঠপর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। বক্ষব্যাধি ক্লিনিকের এক্স-রে মেশিন খারাপ থাকায় চিকিৎসা নিতে আসা পুরুষ-নারীদের বিনা মূল্যে ব্র্যাকের যক্ষ্মা নির্ণয় কেন্দ্র থেকে এক্স-রে সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এক্স-রে করার পর সেটা ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। সেখান থেকে রেডিওলিস্টের মাধ্যমে এক্স-রে দেখে তার রিপোর্ট পাঠানো হয়। এখানে জিন এক্সপার্ট পরীক্ষাও করা হয়। যক্ষ্মা পরীক্ষা করার জন্য প্রতিদিন ২০-২৫ জন পুরুষ-নারী এখানে আসেন। প্রতি মাসে ২০-২৫ জনের দেহে যক্ষ্মার জীবাণুও শনাক্ত হয়। চিকিৎসা চলাকালীন প্রতিটি গ্রামে কর্মীদের মাধ্যমে ওষুধ পাঠানো হয়। পাঁচ হাজার জনের জন্য একজন সেবিকা থাকে। রোগী ওষুধ নিয়মিত খাচ্ছেন কিনা, তা তদারকি করেন ওই সেবিকা।

এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা: এ এস এম মারুফ হাসান বলেন, বক্ষব্যাধি ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবা দেয়ার জন্য কনসালট্যান্টসহ বিভিন্ন পদে জনবল সঙ্কট দেখা হবে। সেই সঙ্গে মেডিক্যাল অফিসার নিয়মিত রোগী দেখবেন সেই ব্যবস্থাও করা হবে।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর