সোমবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৩ ১৪২৬   ০১ জমাদিউস সানি ১৪৪১

৬১

চুয়াডাঙ্গা ছাগলে বছরে ২ হাজার কোটি টাকা আয়!

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০১৯  

দেশের মধ্যে বিশ্ববিখ্যাত ব্ল্যাক বেঙ্গল বেশি পালন করায় চুয়াডাঙ্গা জেলাকে ব্র্যান্ড হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রোগ বালাই কম ও লাভজনক হওয়ায় গ্রামাঞ্চলের প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে ছাগল পালন করে থাকে। আবার অনেকে ছাগলের খামার করেও স্বাবলম্বী।

পানিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বছরে জেলায় ছাগলের মাংস ও চামড়া বিক্রি করে আয় হয় ২ হাজার কোটি টাকা। এছাড়াও ছাগল উন্নয়ন খামার থেকে সহজে উন্নত জাতের ছাগী ও পাঠা পাচ্ছে পালনকারীরা। এতে ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটের প্রজনন বৃদ্ধি করতে পারছে তারা।

জানা যায়, দেশের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা। এই জেলার ঐতিহ্য ব্ল্যাক বেঙ্গল গোট। উষ্ণ আবহাওয়া হওয়ার কারণে ছাগল পালনের উপযোগী স্থান । যার কারণে জেলার প্রায় ৩ লাখ নারী-পুরুষ দুই একটি ছাগল পালন করে থাকে। শীতকালে ঠাণ্ডাজনিত রোগ ছাড়া তেমন কোন রোগ বালাই হয় না। জেলায় ব্ল্যাকবেঙ্গল ছাগল, শঙ্কর, যমুনাপাড়ী, বিটল, তোতামুখি, হরিয়ানা জাতের ছাগল পালন হয়ে থাকে। এর মধ্যে সিংহভাগই পালন হয় ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল। 

এই জাতের মাংস অত্যন্ত সুস্বাদু হওয়ায় দেশে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। একটি মা ছাগল বছরে ৩ বারে ৩-৪ টি বাচ্চা দেয়। অনেক খামারি ২০-৩০টি ছাগল পালন করে বছরে এক থেকে দেড় লাখ টাকা আয় করছে। যা দিয়ে তাদের সংসারের বেশিরভাগ চাহিদা মেটাতে পারছেন।

চুয়াডাঙ্গা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ছাগল উন্নয়ন খামার আরমান আলী জানান, ১৯৯৬ সালে চুয়াডাঙ্গায় ছাগল উন্নয়ন খামার প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিবছর এ খামার থেকে খুলনা বিভাগের ১০টি জেলাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে নির্ধারিত মূল্যে পাঠা-ছাগী সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এর ফলে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাত সম্প্রসারণ ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর