বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৮ ১৪২৬   ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
সারাদেশে নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা ১৩ জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ : মোংলা-পায়রা বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ফুটবল নিয়ে ব্যস্ত সাকিব আল হাসান ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র কারণে আজ জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা স্থগিত শ্রমিকলীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা

গড়াই নদী খনন প্রকল্পের কাজ শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০১৯  

গড়াই নদী খনন প্রকল্পটি পুনরায় চালু হয়েছে। চলতি মাসের প্রথম দিকে প্রকল্পের বাস্তব কাজ আবার শুরু হয়। গড়াই নদীর উত্সমুখ থেকে দীর্ঘ ৪৪ কিলোমিটার এ নদী খনন করা হবে। চলতি বছর ২৬ এপ্রিল নদী খনন বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মিঠাপানি সরবরাহের একমাত্র উত্স হচ্ছে পদ্মার প্রধান শাখা নদী গড়াই। প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে গড়াই নদী তার আসল রুপ-সৌন্দর্য হারিয়ে শীর্ণকায় ও মরাখালে পরিণত হয়। ফলে কুষ্টিয়াসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, জীববৈচিত্র্য ও জীবন-জীবিকা বার বার পড়ে হুমকিতে।

এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, সমুদ্র সমতল পরিমাপ লেভেল অনুযায়ী গড়াইয়ের উত্সমুখে প্রতিবছর ৮ মিটার উচ্চতায় পলি পড়ে। ফলে নদীর অস্তিত্ব রক্ষা ও পানিপ্রবাহ সচল রাখতে গড়াই খনন প্রকল্পটি বিগত দুই দশক যাবত্ চলমান। প্রকল্পের (২য় ধাপ) আওতায় কুষ্টিয়ার তালবাড়িয়ায় গড়াইয়ের উত্সমুখ থেকে খোকসা উপজেলা অতিক্রম করে ঝিনাইদহের শৈলকুপা পর্যন্ত দীর্ঘ ৪৪ কিলোমিটার এ নদী খনন করা হবে।

নদীর তলদেশে ১২০ মিটার চওড়া এবং উপরিভাগে ১৬০ মিটার প্রশস্ত পরিমাপ অনুযায়ী শুরু হয়েছে নদী খনন।

প্রাথমিক পর্যায়ে উত্সমুখ থেকে ৬ কিলোমিটার খনন করে ৬০ লাখ ঘনমিটার পলি উত্তোলন করা হবে বলে ড্রেজিং বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তাজমীর জানান।

পানিসম্পদ সচিব কবির বিন আনোয়ার জানান, মিঠাপানির একমাত্র উত্স হচ্ছে গড়াই নদী। এ নদীর সঙ্গে আমাদের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য, জীবন-জীবিকা ও অস্তিত্ব নির্ভরশীল। তাই গড়াই নদীকে রক্ষা এবং সুষ্ঠুভাবে এ নদীর খনন কাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সারা বছর নদীর পানিপ্রবাহ সচল রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান জানান, শুষ্ক মৌসুমে গড়াই নদীতে পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী খনন প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। পানিপ্রবাহ চলমান রাখতে ধারাবাহিকভাবে এ নদী খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ অব্যাহত রাখতে হবে। এ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নের পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মিঠাপানির চাহিদা পূরণ, পরিবেশগত বিপর্যয় ও লবণাক্ততারোধ করা সম্ভব বলে তিনি জানান।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর