বৃহস্পতিবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২১   অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৮   ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
সর্বশেষ:
রূপান্তরে বাংলাদেশ উত্তরণে বাংলাদেশ দুটি বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পে ২৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে জাপান শতবর্ষ উদযাপনে বর্ণিল সাজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যশোরে আনসার-ভিডিপি’র পতাকা র‌্যালি করোনা বাড়লে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ হবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত-পাকিস্তান থেকে নানা সূচকে এগিয়ে বাংলাদেশ
৬৬

ক্যানসার প্রতিরোধে যা খাবেন

লাইফষ্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯ নভেম্বর ২০২১  

ক্যানসার এক আতঙ্কের নাম। কোষ বিভাজনের অস্বাভাবিকতা থেকেই ক্যানসার আমাদের দেহে বিস্তার করতে শুরু করে। ক্যানসার দেহের বিভিন্ন অংশে হতে পারে। এখনো পর্যন্ত ক্যানসারের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। তবে ক্যানসার প্রতিরোধ করার সম্ভাবনা খুঁজে পাওয়া যায় কিছু খাদ্যে। আপনার খাদ্য তালিকায় যদি কিছু খাবার নিয়মিত রাখা যায়, তাহলে ক্যানসার প্রতিরোধ করার সম্ভাবনা থাকে। আসুন জেনে নেই কোন কোন খাবার ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

মূলত সবজি-জাতীয় খাবারে প্রচুর ফাইটোক্যামিকেল পাওয়া যায়। এমন কোনো খাদ্য নেই যা ক্যানসার প্রতিরোধের নিশ্চয়তা প্রদান করে। তবে সবজি জাতীয় খাবারে ফাইটোক্যামিকেল পাওয়া যায়। আর এতে ক্যান্সারের ভয় কমে। মূলত বেশ কিছু কারণে ফাইটোক্যামিকেল আমাদের জন্য উপকারী:

১.দেহের প্রদাহজনিত সমস্যা দূর হয়
২.ডিএনএ এর ভেতর ত্রুটি থাকলে ঠিক করতে সাহায্য করে
৩.ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে তোলে
৪.হরমোন এর সমস্যা দূরীকরণে সাহায্য করে

পেঁয়াজ

পেঁয়াজ মূলত আলিয়াম পরিবারের সবজি। ক্যান্সার প্রতিরোধে পেঁয়াজ এর সুনাম অনেক। অনেক সময় রান্না করা মাংস, সিগারেটের ধোঁয়া এবং নানা প্রাণীজ আমিষ থেকে ডাইয়োক্সিন নামক উপাদান আমাদের দেহে প্রবেশ করে। এই উপাদান দেহে ক্যানসার কোষ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এদিকে পেঁয়াজে কিছু ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট আছে যা ডায়োক্সিন দূর করতে সাহায্য করে।

ডাল
যেকোনো ডালজাতীয় খাদ্যে স্টার্চ, ফেনোলিক উপাদান এবং আঁশ পাওয়া যায়। ফলে আপনার পাকস্থলীতে উপকারী ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়। আর প্রচুর আঁশ থাকায় পাকস্থলীর ক্যানসার থেকে মুক্ত থাকা যায়। তাছাড়া ডাল আপনার দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। শুধুমাত্র ওজনের অস্বাভাবিকতার জন্যে দেহে বারো রকমের ক্যানসার হতে পারে।


হলুদ
ভারতীয় খাবারে হলুদের ব্যবহার হবেই। হলুদে কারকুমিন নামক এক ধরণের উপাদান থাকায় হলুদ রঙ পাওয়া যায়। এই কারকুমিন খুবই উপকারী এন্টি-অক্সিডেন্ট। কারকুমিন টিউমার কোষ ধ্বংস করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মতামত দিয়েছেন।


ফুলকপি
শীতকাল এসে পড়েছে। এখন ফুলকপি সহজেই পাওয়া যাবে। ফুলকপিতে ইনডোল-৩ কারবিনোল খুঁজে পাওয়া যায়। এই উপাদান দেহের হরমোনগত ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া এতে সালফোফ্রেন নামক উপাদান দেহে ক্যানসার হওয়ায় সহায়ক উপাদান দূর করতে সাহায্য করে।এছাড়া ফুলকপিতে আঁশ তো আছেই।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা