সোমবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১   আশ্বিন ৪ ১৪২৮   ১২ সফর ১৪৪৩

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
সর্বশেষ:
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে গুরুত্ব পাবে যে ৬টি বিষয় শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও সম্পর্ককে গুরুত্ব দিয়ে আসছে সৌদি সরকার বাংলাদেশের সুগন্ধি চাল বিশ্বময় সুবাস ছড়াচ্ছে মোংলা বন্দরে নির্মিত হচ্ছে আরও ৬টি জেটি
৩৩

কুষ্টিয়া কলেজের ছাত্রাবাস এখন মাদকসেবীদের আখড়া

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১  

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের পরিত্যক্ত ছাত্রাবাস এখন মাদকসেবীদের নিরাপদ আখড়ায় পরিণত হয়েছে। বর্তমানে পরিত্যক্ত ছাত্রাবাসের তিনটি ভবনে সারাদিনই চলে মাদকসেবীদের আড্ডা। আবার মাদক বিক্রেতারাও এখানে অবাধে বিক্রি করা শুরু করেছে।

জানা গেছে, ২০১০ সালে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের আবাসিক ছাত্রাবাস পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর নতুন করে অন্য জায়গায় ছেলেদের জন্য দুটি ও মেয়ের জন্য একটি ছাত্রাবাস নির্মাণ করা হয়। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, পরিত্যক্ত ছাত্রাবাসের তিনটি ভবনে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা, ফেনসিডিল, হেরোইন ও ইয়াবাসহ নানা ধরনের দেশি-বিদেশি মাদকের বেচা-কেনা এবং আড্ডা বসে। সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত চলে মাদক সেবন ও বেচা-কেনা। এমন পরিস্থিতিতে শহর ও গ্রামাঞ্চলেও মাদকসেবীর সংখ্যা বাড়ার আশংকা রয়েছে। এতে উদ্বিগ্ন কলেজ কর্তৃপক্ষ এলাকার সাধারণ মানুষ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, সকাল থেকেই ছাত্রাবাসের পরিত্যক্ত ভবনে মাদকসেবীদের আনাগোনা শুরু হয়। তবে বিকেলের দিকে এ আনাগোনা আরও বেড়ে যায়। মাদক কারবারিদের ভয়ে স্থানীয়রা এ ব্যাপারে কেউ মুখ খুলতে পারছেন না। মাঝে মাঝে পুলিশ মাদক সেবনকারীদের ধাওয়া করলেও কয়েকদিন পর আবারও একই চিত্র দেখা যায়।

কুষ্টিয়া জেলা সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি রফিকুল আলম টুকু বলেন, সরকারি কলেজের মতো এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিত্যক্ত ছাত্রাবাস থাকতেই পারে। তবে সেখানে মাদকসেবীদের আনাগোনার বিষয়টি কোনোভাবেই কাম্য নয়।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ কাজী মনজুর কাদির বলেন, কলেজের পরিত্যক্ত ছাত্রাবাসে মাদকের আড্ডার বিষয়টি আমার জানা আছে। এখানকার মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের খুঁটি অনেক শক্ত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না। এ ব্যাপারে কলেজের পক্ষ থেকে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশের গাড়ি দেখলেই মাদকসেবী ও কারবারিরা পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বিরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর