শনিবার   ২৪ জুলাই ২০২১   শ্রাবণ ৮ ১৪২৮   ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
সর্বশেষ:
অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ ডোজ টিকা আসছে শনিবার কুষ্টিয়ায় করোনা ও উপসর্গে আরও ১৭ মৃত্যু, শনাক্ত ৫৭ ভারতে রেকর্ড ১.২৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি মেহেরপুরে রাজনগর গ্রামবাসীর জন্য সৌদিপ্রবাসীর অ্যাম্বুলেন্স উপহার রবিবার থেকে ব্যাংক লেনদেন দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ‘টিকার সর্বনিম্ন বয়সসীমা ১৮ বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার’
৮০

কুষ্টিয়ায় সারপ্রাইজ দিতে ডেকে নিয়ে চোখ বেঁধে প্রেমিকাকে খুন

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৬ জুলাই ২০২১  

গত বুধবার (১৪ জুলাই) বিকালে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর পৌরসভার তালতলায় ভুট্টা ক্ষেত থেকে কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছিলো পুলিশ। লাশের রহস্য উদঘাটন করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে মর্মান্তিক এক ঘটনা।  সারপ্রাইজ দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ওই কিশোরীকে খুন করে তারই প্রেমিক!

নিহত স্কুলছাত্রী উম্মে ফাতেমা (১৪) মিরপুর পৌরসভার তালতলা এলাকার খন্দকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে। মৃত ফাতেমা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী।

এ ঘটনায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দী দিয়েছে আপন (১৭) নামের এক কলেজছাত্র। গ্রেফতার আপন মিরপুর পৌরসভার কুরিপোল গ্রামের রংমিস্ত্রি মিলনের ছেলে। সে আমলা সরকারি কলেজের ছাত্র। 

কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আপনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার কথা স্বীকার করেছে আপন।

আপনের জবানবন্দির বরাত দিয়ে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘ফাতেম ও আপন দুজনের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক। মেয়েটি একপর্যায়ে বিয়ের প্রস্তাব দিলে আপন রাজি হয়নি। তখন মেয়েটি বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবে এবং আপনের নাম লিখে যাবে বলে উল্লেখ করে। এতে ভয় পেয়ে যায় আপন। সাত দিন আগে মেয়েটিকে হত্যার পরিকল্পনা করে সে।’

আপনের জবানবন্দিতে দেয়া তথ্যমতে ওসি বলেন, মঙ্গলবার রাত ১টা ৫২ মিনিটে মেয়েটিকে ফোন করে রাত ২টা ৫০ মিনিটে বাড়ি থেকে বের হতে বলে আপন। এর মধ্যে জায়গা দেখে আসে কোথায় নিয়ে হত্যা করবে। প্রথমে একটি ইটভাটায় নিয়ে যায়। সেখানে লোকজন থাকায় ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায়। তখন সারপ্রাইজের কথা বলে চোখ বাঁধতে বলে। তখন মেয়েটির ওড়না দিয়ে চোখ বাঁধে আপন। চাকু বের করে বুকে পেটে আঘাত করে। একই সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে দেয়। সবশেষে মেয়ের গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে চাকু ভেঙে ফেলে দেয়। ওড়নাটি বাড়িতে এনে পুড়িয়ে ফেলে।’

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর