রোববার   ২৩ জুন ২০২৪   আষাঢ় ৯ ১৪৩১   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
সর্বশেষ:
অ্যান্টিভেনমের ঘাটতি না রাখতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশ ভাঙ্গা-যশোর রেল লাইন: চার জেলার যোগাযোগে নতুন দিগন্ত সরকারকে ১২৫ কোটি ডলার দিচ্ছে উন্নয়ন সহযোগীরা বাংলাদেশে চালু হবে রু-পে কার্ড, ভারতে টাকা-পে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব নিলেন ওয়াকার-উজ-জামান ঈদযাত্রা: পদ্মাসেতুতে ১৩ দিনে টোল আদায় ৪২ কোটি টাকা খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে পেস মেকার বসানোর কাজ চলছে: আইনমন্ত্রী পুলিশের এক অতিরিক্ত আইজিপি ও ৯ ডিআইজিকে বদলি-পদায়ন
১০৫

কুমারখালীতে চলছে ফসল কাটা, কৃষকের মুখে হাসি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ মে ২০২৪  

কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীতে পুরোদমে চলছে বোরো ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকেরা। তাদের প্রত্যাশা, এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে। শ্রমিক সংকট থাকলেও ধানের ভালো ফলনে ফসলের মাঠে কৃষকের হাসি ফুটেছে।

চলতি মৌসুমে কৃষকেরা রোদ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে বোরো ধান আবাদ করেন। কৃষি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে থেকে কৃষকদের পরামর্শ প্রদান ও পর্যাপ্ত সার পাওয়ায় এবার কোনো কিছুতেই কৃষকদের বেগ পেতে হয়নি। তাছাড়া এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সর্বত্রই বোরো ধানের ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমারখালী উপজেলায় চলতি বছর ৫হাজার ৫শ' ৬৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। হাইব্রিড জাতের ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮শ' ১০ হেক্টর। তবে বোরো আবাদে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি এবার। উপজেলাতে ৪ হাজার ৩শ' ৯৬ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। হাইব্রিড জাতের আবাদ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি হয়েছে ২শ' ১০ হেক্টর জমিতে।

কুমারখালী উপজেলায় একদিকে তাপদাহ অন্যদিকে অতিরিক্ত গরমে কৃষকদের কষ্ট হলেও ধান কেটে মাড়াই কাজ করছে তারা। পাশাপাশি বসে নেই কৃষাণীরাও। তারাও মনের আনন্দে ধান শুকিয়ে গোলায় তোলার কাজে সহযোগিতা করছে। সর্বত্রই বোরো ধানের ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। এদিকে শ্রমিক সংকট থাকলেও ধানের ফলনে খুশি কৃষক। হাটবাজারে এখনো পুরোদমে ধান বিক্্ির শুরু হয়নি।

উপজেলার নন্দুলালপুর গ্রামের কৃষক ওবায়দুল হক ৫বিঘা ও রাসেল হোসেন ৮বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছে। এ পর্যন্ত আগাম ৪বিঘা জমির ধান কাটা হয়েছে তাদের। কৃষক আবু তালেব জানান, তিনি ১০বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান আবাদ করেছেন। তবে সার, বীজ, কীটনাশক ও ডিজেলসহ সবকিছুই বেশি দামে কিনতে হওয়ায় আবাদে তার খরচ বেশি হয়েছে। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার তার জমিতে ভালো ধান হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। উপজেলার সদকী এলাকার কৃষক নাসির উদ্দিন ৯০শতাংশ জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে ফলন হয়েছে ১৮-২০ মণ। 

এদিকে হঠাৎ কিছু কিছু এলাকায় বিআর ২৮ ও ২৯ ধানে ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছিলো। কৃষি বিভাগ খুবই তৎপর ছিল রোগবালাই আক্রান্ত থেকে ফসল রক্ষা করতে। কৃষকদের উদাসীনতায় কিছু জমি ক্ষতি হলেও কৃষকরা বাম্পার ফলনের আশা করছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ দেবাশীষ কুমার দাস বলেন, এবার বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫হাজার ৫শ'৬৫ হেক্টর  জমিতে। আবাদ  হয়েছে ৪হাজার ৩শ' ৯৬ হেক্টর জমিতে। হাইব্রিড জাতের ধান লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে। জিকে ক্যানালের পানি না থাকার কারণে লক্ষমাত্রা অর্জন করতে পারেনি আমরা। নতুন জাত ব্রি- ধান ৮৯ এবং বিনা-২৫, ব্রি ধান ১০০ জাতগুলো সম্প্রসারণের জন্য আমরা কাজ করছি বলেও তিনি জানান।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর