মঙ্গলবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২২   মাঘ ৪ ১৪২৮   ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
সর্বশেষ:
পোশাক রপ্তানি: বড় বাজারে বড় প্রবৃদ্ধি আশা জাগাচ্ছে আরও ৯৬ লাখ ফাইজারের টিকা এলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের তথ্য গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয় জীবননগরে কৃষি কাজে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘রাইস ট্রান্সপ্লান্টার’ গড়াই নদী খনন প্রকল্পে সুফল পাচ্ছে কুষ্টিয়ার বাসিন্দারা চুয়াডাঙ্গায় দুর্বৃত্তরা কেটে ফেলেছে ২৬টি কমলাগাছ মেহেরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুজনের কারাদণ্ড
৬৮

এক বছরে নিলেন ১১ বার টিকা, ১২ বারের বেলায় খেলেন ধরা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

প্রকাশিত: ৬ জানুয়ারি ২০২২  

করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই দু’টি ডোজ টিকা প্রয়োগের পাশাপাশি চলছে বুস্টার ডোজ দেওয়ার কাজও। তবে ভারতের এক বৃদ্ধ দাবি করেছেন যে, তিনি গত এক বছরে ১১ বার করোনার টিকা নিয়েছেন। এতে করে উপকারও পেয়েছেন বলে দাবি তার। অবশ্য ওই বৃদ্ধের এই দাবিতে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। এমনকি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তদন্তও শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১১ বার করোনা টিকা নেয়া ওই বৃদ্ধের নাম ব্রহ্মদেব মন্ডল। ৮৪ বছর বয়সী ব্রহ্মদেবের বাড়ি ভারতের বিহার রাজ্যের মাধেপুরা জেলার চাউসা এলাকায়। তার ১১ বার টিকা নেয়ার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই তদন্ত শুরু করেছে বিহারের রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

ব্রহ্মদেব মন্ডল যখন ১২তম বার টিকা নিতে গিয়েছিলেন, তখনই বিষয়টি স্বাস্থ্যকর্মীদের নজরে আসে। এরপরই পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ব্রহ্মদেবের আসলে একটির পর একটি কোভিড টিকা নেয়ার ইচ্ছা ছিল। তার এই ইচ্ছা পূরণে তিনি নিজের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়দের পরিচয়পত্র ব্যবহার করতেন। সেই কার্ড ও তাদের ফোন নম্বর দিয়ে তিনি টিকা কেন্দ্রে যেতেন। আর এই কৌশলেই ব্রহ্মদেব এতবার টিকা পেয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

কিন্তু এতবার টিকা নেয়ার পর শারীরিক অসুস্থতা হতো না? ব্রহ্মদেবের দাবি, একবারেই না। সরকার টিকা চালু করে খুবই ভালো কাজ করেছে। টিকা নিতে তার ভালো লাগে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

৮৪ বছরের এই বৃদ্ধের দাবি, করোনা টিকা নেয়ার পর প্রতিবারই তিনি শারীরিকভাবে একটু সুস্থ বোধ করেন। আর সেই কারণেই টিকা নিতে ছুটে যান বার বার। পেশায় ডাক বিভাগের সাবেক এই কর্মী গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে টিকা নেয়া শুরু করেছেন। ফেব্রুয়ারি, মার্চ, মে, জুন, জুলাই, আগস্ট মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে তিনি এক বা একাধিক টিকা নিয়েছেন। সেপ্টেম্বরে টিকা নিয়েছে তিন বার।

তিনি আরও জানিয়েছেন, মোট ১১ বারের মধ্যে তিনি আট বার আত্মীয়, পরিবারের সদস্যদের আধার কার্ড ও ফোন নাম্বার ব্যবহার করে টিকা নিয়েছেন। দু’বার নিয়েছেন নিজের আধার কার্ড ও ফোন নাম্বার ব্যবহার করে। আর একবার নিয়েছেন নিজের স্ত্রীর আধার কার্ড ও ফোন নাম্বার ব্যবহার করে। এই নিয়ে তার নেয়া মোট টিকার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১।

বিহারের মাধেপুরা জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এরইমধ্যে এই ঘটনার একটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে ঊর্ধ্বতন প্রশাসন। নিরাপত্তা ও যাচাই-বাছাই সত্ত্বেও অন্যজনের পরিচয় ব্যবহার করে একই ব্যক্তি এতোগুলো টিকা কিভাবে পেলেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর