বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৮ ১৪২৬   ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
সারাদেশে নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা ১৩ জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ : মোংলা-পায়রা বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ফুটবল নিয়ে ব্যস্ত সাকিব আল হাসান ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র কারণে আজ জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা স্থগিত শ্রমিকলীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা

একেই বলে অবিশ্বাস্য ম্যাচ!

স্পোর্টস ডেস্ক:

প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০১৯  

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অবিশ্বাস্য এক ম্যাচের সাক্ষী হলো দর্শকরা। আট গোলের ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছেন আয়াক্সের দুই ফুটবলার। এর মাঝে হয়েছে দুটি পেনাল্টি। আত্মঘাতী গোলও হয়েছে দুটি করে। তিন গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও সমতায় ম্যাচ শেষ করে চেলসি। শেষ পর্যন্ত ৪-৪ গোলে ড্র হয় চেলসি ও আয়াক্সের ম্যাচটি।

নিরপেক্ষ ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিনোদনের দারুণ পসরা সাজিয়েই বসেছিল চেলসি ও আয়াক্স। শুরু থেকেই এ ম্যাচকে বলা হচ্ছিল তারুণ্যের লড়াই। এই লড়াইয়ে কেউ কাউকে ছাড় দেয়নি। কারো মাঝেই ছিলো না হার মানার মানসিকতা।

গোল উৎসবের শুরুটা ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে। এই মৌসুমে চেলসির গোলমেশিন হিসেবে খ্যাত ট্যামি আব্রাহাম জালে বল ঢোকান। তবে আয়াক্সের জালে নয়, আব্রাহাম এবার বল ঢুকান নিজেদের জালে! আয়াক্সের ফ্রি কিক ক্লিয়ার করতে যেয়ে উল্টো নিজের দলকে পিছিয়ে দেন তিনি। সমতায় ফিরতে অবশ্য খুব বেশি সময় নেয়নি ইংলিশ দলটি। ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিককে ফাউল করায় দুই মিনিট পরেই পেনাল্টি পায় চেলসি। সেখান থেকে গোল করতে ভুল হয়নি জর্জিনহোর।

গোল হজম করে দমে যায় নি আয়াক্স। হয়ে ওঠে আরো আক্রমণাত্মক। দারুণ গোছানো ও আক্রমণাত্মক ফুটবলে বিরতির আগেই চেলসিকে দিয়েছে আরো দুই গোল। ২০ মিনিটে জিয়েখের মাপা ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে আয়াক্সকে দ্বিতীয়বারের মতো এগিয়ে নেন কুইন্সি প্রোমস। তৃতীয় গোলটিতেও মূল অবদান জিয়েখের। তবে এটি স্কোরকার্ডে লেখা হয়েছে আত্মঘাতী গোল হিসেবে, যা করেছেন চেলসি গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগা। জিয়েখের বাঁকানো শটটি ক্রসবারে লেগে ফিরে আসার সময় তার মুখে লেগে জালে ঢুকে যায়।

বিরতি থেকে ফিরে গোল শোধের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছে চেলসি। তবে ল্যাম্পার্ডের দলের বদলে আবারো এগিয়ে যায় আয়াক্স। ৫৫ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে ভ্যান ডি বিকের গোলে ৪-১ গোলে এগিয়ে যায় তারা। এমন সময় হয়তো অনেকেই ভাবছিলেন নিজেদের মাঠে চেলসির কাছে হারের শোধটা ভালোভাবেই তুলছে আয়াক্স। তবে এই সুযোগ আর দেয়নি চেলসি। ম্যাচের বাকি সময়টা পুরোটাই নিজেদের করে নিয়েছে তারা। তিন গোলে পিছিয়ে থেকেও লড়ে গেছে সমানতালে।

ঘুরে দাঁড়ানোর শুরুটা অধিনায়ক সিজার অ্যাজপিলিকুয়েতার পায়ে। ৬৩ মিনিটে আলতো টোকায় গোল করে দলকে উজ্জীবিত করার পাশাপাশি সমর্থকদের প্রতি আহবান জানান বিশ্বাস না হারাতে।

তবে চেলসিকে ম্যাচে ফিরতে সহায়তা করেছে আয়াক্সই। দুই মিনিটের মধ্যে দুটি লাল কার্ড দেখে আয়াক্সকে নয়জনের দলে পরিণত করেন ড্যালি ব্লিন্ড ও জোয়েল ভিল্টম্যান। অযথাই ফাউল করতে গিয়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেছেন ব্লিন্ড, বক্সের মধ্যে হ্যান্ডবল করে একই পরিণতি হয়েছে ভিল্টম্যানের। সেটির সুযোগ নিয়েই ম্যাচে ফিরেছে চেলসি।

৭১ মিনিটে দ্বিতীয়বারের মতো পেনাল্টি থেকে গোল করেন জর্জিনহো। এর মাত্র তিন মিনিট পরেই ক্লাবের হয়ে প্রথম গোল করে পুরো স্ট্যামফোর্ড ব্রিজকে আনন্দে ভাসান ১৯ বছর বয়সী রাইটব্যাক রিস জেমস। ম্যাচে চলে আসে সমতা।

এই ড্রয়ে দারুণ জমেছে গ্রুপ এইচের লড়াই। চারটি করে ম্যাচ শেষে চেলসি, আয়াক্স ও ভ্যালেন্সিয়া তিন দলেরই পয়েন্ট সমান ৭। ফলে পরের ম্যাচগুলোতে একটু ভুল করলেই যেকোনো দলের বিদায় ঘন্টা বেজে যেতে পারে। 

 কুষ্টিয়ার  বার্তা
 কুষ্টিয়ার  বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর